,

সরকারের সময় ফুরিয়ে এসেছে: সোহরাওয়ার্দিতে ঐক্যফ্রন্ট নেতৃবৃন্দ

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, উন্নয়নের জোয়ারে সরকারের চোখে ছানি পড়েছে। উন্নয়নের কারণে তারা কানে শোনে না। তাই আপনাদের ওয়াজ তাদের কানে যায় না।আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনসভায় এ কথা বলেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘সরকার শুধু উন্নয়নের জোয়ার দেখে। তারা জনগণের আওয়াজ শুনতে পায় না। কিন্তু নিজেদের দুর্নীতির জোয়ার তারা দেখে না।’ তিনি বলেন, ‘আজ সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে শহিদুল আলম কারাগারে, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন কারাগারে। দুনীতির অভিযোগে খালেদা জিয়া কারাগারে। জামিন তার নাগরিক ও সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু সেটিও তাকে দিচ্ছে না সরকার।’গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এই প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ‘দাবি আদায় করতে হলে, খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হলে, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।’সরকারের পদত্যাগ, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির নিঃশর্ত মুক্তিসহ সাত দফা দাবিতে ওই জনসভার আয়োজন করা হয়।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত জনসভায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। 

জনসভায় সভাপতিত্ব করছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সঞ্চালনা করছেন প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরীর এ্যানী। জনসভার প্রধান অতিথি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও প্রধান বক্তা জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব উপস্থিত আছেন। এ ছাড়া কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মুনসুর আহমেদ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফা মোহসীন মন্টু, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, আলতাফ হোসেন, সেলিমা রহমান, বরকত উল্লাহ বুলু, মো. শাজাহান, শামসুজ্জামান দুদু, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, জয়নুল আবদীন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, ড. সুকোমল বড়ুয়া, আবদুস সালাম, আতাউর রহমান ঢালী, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, এমরান সালেহ প্রিন্স ও শামা ওবায়েদ প্রমুখ উপস্থিত হয়েছেন।এ ছাড়া বিএনপির সহপ্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামিমুর রহমান, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দীন আলম, তকদির হোসেন মো. জসিম, আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ, কামরুদ্দিন এহিয়া খান মজলিস, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহসান, সহসভাপতি আলমগীর হাসান সোহান, নাজমুল হাসান, জহুরুল ইসলাম বিপ্লব, সহসাধারণ সম্পাদক আরিফা সুলতানা রুমা প্রমুখ জনসভায় উপস্থিত রয়েছেন।

মতামত