,

ব্রেকিং

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের অনুমোদন

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদের সব সদস্য উপস্থিত ছিলেন।বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, এই প্রস্তাব অনুমোদনের ফলে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে মেধার ভিত্তিতে সরাসরি নিয়োগ হবে। এখানে কোনও কোটা থাকবে না। খুব শিগগির এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হবে। প্রজ্ঞাপন হলে ওইদিন থেকে কার্যকর হবে।তিনি বলেন, আগামী দুই বা তিন দিনের মধ্যে এই প্রজ্ঞাপন জারি হবে। তবে সরকার যদি ভবিষ্যতে মনে করে কোনও অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য কোটার দরকার আছে, তবে তার পথও খোলা আছে। তখন সরকার আবারও কমিটি করে ব্যবস্থা নেবে।‘তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সব ধরনের কোটা বহাল থাকবে। অর্থাৎ এই চাকরিতে তারা কোটা পাবেন।’সরকারি চাকরির প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে (নবম থেকে ত্রয়োদশ গ্রেড পর্যন্ত) কোনও কোটা না রেখে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের নিয়ম চালু করতে সুপারিশ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের নেতৃত্বে গঠিত কোটা পর্যালোচনা কমিটি। ওই কমিটি গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সুপারিশপত্র জমা দেয়।ওই কমিটির সুপারিশ প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পাওয়ার পর বুধবারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে তোলা হয়।এতদিন সরকারি চাকরিতে নিয়োগে ৫৬ শতাংশ পদ বিভিন্ন কোটার জন্য সংরক্ষিত ছিল। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ।সরকারি চাকরিতে নিয়োগে কোটার পরিমাণ ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবিতে কয়েক মাস আগে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। পর তা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।

মতামত