,

কর্ণফুলীর পাড়ে উচ্ছেদকৃত স্থাপনার সংখ্যা প্রায় ১৪০

চট্টগ্রামের সদরঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে গত তিন দিনে প্রায় ১৪০টি কাঁচা-পাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন। এর মাধ্যমে উদ্ধার হয়েছে প্রায় পাঁচ একর জায়গা, যার মূল্য শতকোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। উচ্ছেদ অভিযান চতুর্থ দিনের মতো চলছে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিট্রেট তৌহিদুল ইসলাম জানান, প্রথম ধাপের অভিযানে চিহ্নিত প্রায় ২০০ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। এরই মধ্যে প্রায় ১৪০টির বেশি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসব স্থাপনার মধ্যে কাঁচা ঝুপড়ি থেকে শুরু করে ২/৩ তলা পাকা ভবনও রয়েছে।

উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্বে রয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিট্রেটরা। এছাড়া জেলা প্রশাসনের সাথে কাজ করছে সরকারের ১০টি সংস্থা। এই সংস্থাগুলো মধ্যে আছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস, বিআইডব্লিউটিএ, বিদ্যুৎ বিভাগ, কর্ণফুলী গ্যাস, টিএন্ডটি ও পরিবেশ অধিদপ্তর। উচ্ছেদ অভিযানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একই সাথে কাজ করছে র‌্যাব ও পুলিশ।

তিন দিনের অভিযানে কর্ণফুলী নদীর তীর দখল করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের একাধিক লবন মিল, মাছের ক্লোল্ডস্টোরেজ, কাঁচামালের গোডাউন, কলোনি, কারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিস পুরোপুরি উচ্ছেদ করা হয়েছে। নানা হুমকি থাকলেও অবৈধ চিহ্নিত সব স্থাপনা উচ্ছেদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন।

মতামত