,

মৌজা রেটের তিনগুণ মূল্য প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিলেন সিটি মেয়র

বারৈ পাড়া খাল ভূমি মালিকদেরকে মৌজা রেটের তিনগুণ মূল্য প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিলেন চ.সি.ক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন

নগরের নন্দন: বহদ্দারহাট-বারৈ পাড়া নতুন খাল খনন প্রকল্প এলাকার পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডের ভূমি মালিকদেরকে মৌজা রেটের তিনগুণ মূল্য প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

একই সাথে ভূমির মূল্য প্রাপ্তিতে যাতে কেউ হয়রানির শিকার না হন সেজন্য তিনি মালিকপক্ষকে সরাসরি মেয়র বরাবর অভিযোগ উত্থাপনের পরামর্শ দিয়েছেন।

আজ বিকাল ১ টায় চসিক কেবি আবদুচ ছাত্তার মিলনায়তনে এই প্রকল্প এলাকার পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডের ভূমি একশ জন ভূমি মালিকদের সাথে অনুষ্ঠিত মত বিনিময় সভায় মেয়র এই প্রতিশ্রুতি দেন।

তাছাড়া প্রকল্পের জায়গা অধিগ্রহণে যাদের বসত বাড়ির অর্ধেক অংশ পড়েছে তাদেরকে গণপূর্ত বিভাগীয় নিয়মানুসারে সম্পূর্ণ অংশের মূল্য পরিশোধের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

প্রকল্প এলাকার জেলে সম্প্রদায়সহ উচ্ছেদের শংকায় থাকা ভূৃমিপতিদের পুনর্বাসনে মেয়র প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, প্রকল্প এলাকার মধ্যে অনেক জেলে পরিবারের বসতভিটা পড়েছে। এদের পূনর্বাসনের একটি মানবিক আবেদন রয়েছে। জেলা প্রশাসনের সাথে কথা বলে সরকারি খাস জমিতে এদেরকে পূনর্বাসনের ব্যবস্থা করার প্রচেষ্টা চালাবো।

তিনি আরো বলেন, বহদ্দার হাট-বারৈ পাড়া নতুন খাল খনন করা হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন হবে। এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ২৫৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা। খালটির দৈর্ঘ্য হবে আনুমানিক ২.৯ কিমি। প্রস্থ হবে ৬৫ ফুট। খালের উভয় পাড়ে ২০ ফুট প্রস্থের দুটি রাস্তা হবে। একই সাথে ২ ফুট করে ওয়াকওয়ে হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে।

চসিক সূত্রে জানা যায়, গত বছর ৭ নভেম্বর প্রকল্প টি একনেকে চুড়ান্ত অনুমোদন পায়। এর আগে ২০১৪ সালের ২৪ জুন প্রকল্পটি ২৮৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকায় একনেকে অনুমোদন পায়। কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণ সহ নানা কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি। জমির মূল্যসহ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় বাড়িয়ে সংশোধিত ব্যয় বাজেটে প্রকল্পটি দ্বিতীয় বার একনেকে উপস্থাপিত হয়। আগামী ২০২০ সালের ৩০ জুন প্রকল্পের সময় নির্ধারিত রয়েছে।

সভায় কাউন্সিলর হারুনুর রশিদ, ফারজানা পারভীন, প্রধান প্রকৌশলী লে কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, স্টেট কর্মকর্তা এখলাসুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নাগরিকনিউজ/৩১-০১-২০১৯/এম.এ

মতামত