,

জীবনে প্রথম মানুষ রূপি অমানুষের সাথে সাক্ষাৎঃ মালেকুজ্জামান রাজু

জীবনে প্রথম মানুষ রূপি অমানুষের সাথে সাক্ষাৎ

আমরা গত ০২-০৩-২০২০ তারিখে সন্ধ্যা ৬ টায় চাক্তায় যায়। পণ্যসামগ্রী কিনে ৯ টায় বাসায় এসে খেয়ে ১০ টায় রওয়ানা দিলাম বাঁশখালীর উদ্দেশ্যে। নতুন ব্রীজ পার হয়ে গাড়িতে গ্যাস নেওয়ার কথা। কিন্তু সব গ্যাস পাম্প বন্ধ থাকায় আবার টোল দিয়ে শহরে প্রবেশ করি। রাহাত্তার পুল, মুরাদপুর, ২ নং গেইট সেনা কল্যাণ, টেক্সটাইল ঘুরে শেষ পর্যন্ত অক্সিজেন মোড়ে গিয়ে গ্যাস নিতে পারি, যেটা হল জরুরি সেবা!!!!

আমরা বোঝাই করা ট্রাক কোথায় রাখব?
এইকারণে রওয়ানা দিলাম ১২ টায়।
১.৩০ এ পৌঁছি সাধুনপুরে। হঠাৎ দেকি সামনে কয়েকটা cng ও বিপরীতে ট্রাক ও আছে। এর সামনে লম্বা ছোট বাঁশের বোঝা লম্বাটে করে আছে, (রাস্তা বন্ধ) পিছনে ফিরে দেখি ১২-১৫ জন যাদের সবার হাতে লন্বা চুরি এবং অস্ত্র । আমি কিন্তু বস্তুার উপর বসা, সামনে অাছে ড্রাইবারের সাথে আমার বড় ভাই নাছির। আমাকে ১জন চুরি দেখায় বলে (দোয়া করে) যা আছে বাহির কর। আমি মোবাইল দিলাম ১ টা, অন্যটা এবং মানি ব্যাগ বস্তার ফাঁকে রেখে দেওয়াতে রক্ষা করতে পারলাম। আমার বড় ভাই, ড্রাইভার ও হেলপার এর মোবাইল, ৭৮০০ টাকা সহ নিয়ে ফেলে। শুধু তাই নয় হেলপারকে হাতে চুরির আঘাত করে যাকে গুনাগরী আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যায়। ১০-১২ টা গাড়িতে হামলা করে। অনেককে আহত করে।

 

উল্লেখ্য,

ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বাঁশখালী বিকিরণ সংস্থার উদ্যোগে সার্বিক সহায়তায় পূর্ব বৈলছড়ি অভ্যারখীল এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, বড় ভাই নাছির উদ্দিন, মৌলানা মোহাম্মদ মাবুদ, প্রবাসী (বন্ধু) মোহাম্মদ আইয়ুব, মোহাম্মদ ইসমাইল, মেঝো ভাই বশিরুজ্জামান টুটুল, মোহাম্মদ করিম, পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর সামশুল আরেফীন তোহা, শিক্ষক মোহাম্মদ সেলিম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সেলিম, এডভোকেট আলী নেওয়াজ খান, মিরাজুল ইসলাম মিরাজ, রায়হান, কলিমউল্লাহ, নেচার, মিরাজ, নাছির, দিদার, আমির, আলমগীর প্রমুখ সহ সবার অনুপ্রেরণায় আমি সভাপতি হিসাবে বৈলছড়ি এলাকার এই বৈশ্বিক দুর্যোগে কিছুটা সহায়তা দেওয়ার জন্য পণ্যসামগ্রী ক্রয় করি।

পুলিশ ভাই ছিলো বাণীগ্রামের উত্তরে। আর আমরা যখন গুণাগরী আধুনিক হাসপাতালের সামনে দাঁড়ায় তখন পুলিশ ভাই এর গাড়ি দেখি তখন তাদেরকে আমরা সহ আরও কয়েকটা গাড়ি অভিযোগ জানায়, তাছাড়া বৈলছড়ি বাজারের আগে আজিজিয়া মাদ্রাসার সামনে ও পুলিশ ভাইকে অভিযোগ টি জানায়। প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে এরা এ কাজটি করে। কিন্তু বাঁশখালী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এ গঠনাকে অস্বীকার করে কয়েকটা দৈনিক নিউজ এ বিবৃতি দেয়, “ডাকাতের চেষ্টা হয়েছে কিন্তু ডাকাতি হয় নি” ছিঃ ধিক্কার জানায় ১০- ১২ টা গাড়িতে রাস্তা বন্ধ করে ডাকাতি হওয়ার পর ও এমন বিবৃতি দেওয়ায়।

এ বর্বরতার সম্মুখীন হতে হল আমাকে!!!
অমানুষ দের কে দ্রুত বিচারের আওতায় না আনলে বাঁশখালীতে কি বসাবস করা যাবে??

মতামত