,

‘রাজনীতিতে অমানিশা কাটিয়ে ভোর আনতে চাই’

নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগ ‘জন আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ’-এর অন্যতম কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, দেশের চলমানধারার রাজনীতি নিয়ে মানুষ হতাশ। আশার আলো দেখা যাচ্ছে না। হতাশার মাঝেই আমরা রাজনীতিতে নতুন দ্বার উন্মোচন করবো।
তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক উদ্যোগ অনেক কঠিন। তবু শক্ত মনোবলে আমরা এগুচ্ছি। যেখানে শেষ সেখানেই শুরু। যেখানে অন্ধকার সেখানেই আলো।
অনেকে বলছে, আমরা নাকি কোন কোন দলের বি টিম, যা সত্য নয়। আমরা জ্ঞানভিক্তিক রাজনীতির স্বপ্ন দেখি। আমরা ইতিবাচক রাজনীতি করব।
জনআকাঙ্খার বাংলাদেশের অন্যতম সমন্বয়ক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইনজীবী তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় কর্মশালার প্রারম্ভে স্বাগত বক্তব্যে মুজিবুর রহমান মঞ্জু এসব বলেন।
তিনি বলেন, জনগণের চাহিদার আলোকে নতুন উদ্যোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। আমরা সফল হবোই।
পর্যটন শহর কক্সবাজারে হোটেল কোস্টাল পিস-এ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের সংগঠকদের নিয়ে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগের দুই শতাধিক প্রতিনিধি ও সংগঠক এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছে। কর্মশালায় নতুন দলের নাম, নেতৃত্ব, কর্মসূচি, গঠনতন্ত্র ও ইশতেহার এর খসড়া নিয়ে আলোচনা ও প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হচ্ছে।
কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. দিলারা চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি ছিলেন -সাবেক সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী।
প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট আবুল আলা।
শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন জনআকাঙ্খার বাংলাদেশ কক্সবাজারের অন্যতম সমন্বয়ক সাংবাদিক শামসুল হক শারেক। এরপর সমন্বিতভাবে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়।
অনুষ্ঠানে যোগদান করেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ কক্সবাজারের সভাপতি বাবু রবিন্দ্র বিজয় বড়ুয়া।
প্রথম অধিবেশনে জনআকাঙ্খার বাংলাদেশ কক্সবাজারের অন্যতম সমন্বয়ক জাহাঙ্গীর কাশেম, মাস্টার শফিকুল হকসহ বিভিন্ন বিভাগের সমন্বডকরা অংশ গ্রহণ করেন। ৪ জানুয়ারি কর্মশালা শেষ হবে।

মতামত