,

মুজিব বর্ষ উদযাপনের ক্ষণগননায় ৪টি ঘড়ি বসাচ্ছে চসিক

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে মুজিব বর্ষ উদযাপনের ক্ষণ গনণা শুরু হবে। দেশব্যাপী ক্ষণ গনণা শুরুর উদ্দেশ্যে ১’শ দিন আগে থেকে সারা দেশের সাথে একযোগে চট্টগ্রাম নগরেও কাউন্ট ডাউন ক্লক স্থাপন করা হবে। এ লক্ষ্যে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন চসিকের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় নগরে ৪টি কাউন্ট ডাউন ক্লক স্থাপনের জন্য উদ্যোগ করেছেন। এই জন্য নগরীর সাতটি সম্ভাব্য স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ ২৯ অক্টোবর বিকালে চসিক সম্মেলন কক্ষে মুজিব বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় সম্ভাব্য স্পটগুলোর নাম ঘোষনা করা হয়। আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে স্থান চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে সভার সভাপতি সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, চট্টগ্রামে এ ক্যাটাগরির একটি ও বি ক্যাটাগরির ৩টি ক্লক স্থাপন করা হবে। জনসমাগমপূর্ণ স্থানে ক্লকগুলো স্থাপন করা হলে তা লোকপ্রিয়তা পাবে। সে বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা এ ক্যাটাগরির ক্লকের জন্য আন্দরকিল্লাস্থ চসিক পুরাতন ভবন পার্কিং লট ও চট্টগ্রাম আদালত ভবন চত্বরকে সিলেক্ট করেছি। অন্যদিকে বি ক্যাটাগরির ক্লক স্থাপনের জন্য টাইগার পাস,অক্সিজেন মোড়, পতেঙ্গা সি বিচ, বিমান বন্দর ১৫ নং গেইট, এম এ আজিজ স্টেডিয়াম ও আদালত ভবনকে মনোনীত করা হয়েছে।

চসিকের সম্ভাব্য স্থান সম্পর্কে যদি সংশ্লিষ্ট সেবা সংস্থাগুলোর মতামত বা পরামর্শ থাকে তাহলে আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে জানানোর জন্য মেয়রের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নভেম্বরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য স্থান সমুহ পরিদর্শন করে চুড়ান্ত করার কথা রয়েছে।
জানা গেছে, সরকারের পক্ষ থেকে ক্লক স্থাপনের ব্যাপারে এ ক্যাটাগরি ও বি ক্যাটাগরি দুই ধরণের ঘড়ির মডেল নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। এ ক্যাটাগরির ক্লকের ক্ষেত্রে স্থাপন ও ১’শ দিন পর্যন্ত ব্যবস্থাপনায় ব্যয় হবে ৪৯ লাখ ৩০ হাজার ৬০৯ টাকা আর বি ক্যাটাগরির ক্লকের ক্ষেত্রে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৭ লাখ ৮২ হাজার ৮২৩ টাকা। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ক্লক বাবদ সার্বিক ব্যয় বহন করবে।

প্রস্তুতি সভায় চসিক প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা মো সামসুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে কর্ণেল সোহেল আহমেদ, সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী, ওয়াসা ভারপ্রাপ্ত সচিব ড পীষুষ দত্ত, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো জিল্লুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট সেবা সংস্থা প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

মতামত