,

চট্টগ্রামে বিভাগীয় সমাবেশে জনগণের পার্লামেন্ট তৈরির ঘোষণা বিএনপির

গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণের পার্লামেন্ট তৈরি করার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ লক্ষ্যে দলীয় নেতাকর্মীদের জনগণের কাছে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, থানায় থানায়, ইউনিয়নে ইউনিয়নে, গ্রামে গ্রামে মানুষের কাছে ছড়িয়ে পড়তে হবে। জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে তাদের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দুঃশাসনকে পরাজিত করে জনগণের পার্লামেন্ট তৈরি করতে হবে। জগণের ভোটের অধিকার, নিরাপত্তার অধিকার, তাদের বাঁচার অধিকারকে ফিরিয়ে আনতে হবে। আসুন সবাই এই সরকারকে গণতান্ত্রিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করি।
কারান্তরীণ বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। গতকাল দুপুর দুইটায় নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনের নূর আহমদ সড়কে এ সমাবেশ শুরু হয়। বিকেল সাড়ে ছয়টায় শেষ হওয়া সমাবেশে নগরী ও চট্টগ্রামের দুই সাংগঠনিক জেলাসহ ১০টি জেলা থেকে বিএনপি নেতাকর্মীরা যোগ দিয়েছেন। প্রায় কাজীর দেউড়ি পর্যন্ত নূর আহমদ সড়কের একপাশে লোকসমাগম হয়েছে। এসময় সমাবেশস্থল ও আশপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশকে সর্তক অবস্থানে দেখা গেছে।
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, গয়েশ্বর চন্দ্র্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজান, মীর মো. নাছির উদ্দীন, আবদুল আওয়াল মিন্টু ও গিয়াস উদ্দীন কাদের চৌধুরী। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভপতি ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশ সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম।
নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে:
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরো বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার হজ তত্ত্বাবধানের জন্য গঠিত টিমের সদস্য হয়েছেন। তিনি হজ করতে যাবেন সৌদি আরব। সাংবিধানিক ব্যবস্থার জন্য এটা ভয়ংকরভাবে লজ্জাজনক। কারণ প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত দলের হয়ে তিনি হজ তত্ত্বাবধানে যাবেন। এসময় মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা পরিষ্কার করে বলতে চায়, এই নির্বাচন কমিশনারের অধীনে কোন সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন হতে পারে না। সুতরাং এই নির্বাচন কমিশনকে বাতিল করে দিতে হবে। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, যারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নন, যারা জনগণের ভোট চুরি করে নির্বাচিত তাদের সঙ্গে জনগণের কোন সর্ম্পক নেই। তাদের জনগণের কাছে কোন জবাবদিহিতা নেই। সেজন্য বন্যাদুর্গত মানুষগুলোর পাশেও তাদের দেখা যাচ্ছে না। কয়দিন আগে তারা বাজেট দিয়েছে, এ বাজেট গরীবকে আরো গরীব এবং ধনীকে আরো ধনী করবে। তিনি বলেন, গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। প্রত্যেকটা জিনিসের দাম দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ব্যাংকগুলোকে লুট করে শেষ করে দিয়েছে। শেয়ার মার্কেট ধ্বংস করে দিয়েছে। মেগাপ্রকল্পের নামে মেগা লুট চলছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের মানুষ চায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হোক। অথচ তারা নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। আদালতে ঢুকেও আজ খুন করা হচ্ছে। দিনে-দুপুরে খুন করা হয়েছে। সবখানে মানুষকে নির্যাতন ও নিপীড়ন করা হচ্ছে। নেতাকর্মীদের শত শত মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। অসংখ্য মামলার বোঝা নিয়ে অনেকে এলাকায় থাকতে পারছেন না। সেজন্য কেউ চট্টগ্রামে এবং কেউ ঢাকা শহরে গিয়ে রিকশা চালাচ্ছেন, হকারি করছেন। এটাই বাস্তবতা।
আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে বেআইনিভাবে জনগণকে হত্যা করছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল আরো করে বলেন, জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে দুর্বার গণ আন্দোলন গড়ে তোলতে হবে। মানুষকে সম্পৃক্ত করতে হবে। তিনি বলেন, এই সরকার বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে দলীয়করণ করেছে। এমনকি মিডিয়ায়ও তারা হস্তক্ষেপ করছে।
তিনি আরো বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু বিএনপি’র নেতা নন। তিনি সমগ্র বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ এবং স্বাধীনতাপ্রেমীদের নেত্রী। তিনি গণতন্ত্রের প্রতীক। আওয়ামী লীগকে উদ্দেশে তিনি বলেন, দশ বছর আগে ছলচাতুরি করে ক্ষমতায় আসা অবৈধ সরকার গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। তারা একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করতে চায়। এজন্য মিথ্যা সাজানো মামলায় বেগম জিয়াকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। ষোল মাস ধরে নির্জন কারাগারে আছেন বেগম জিয়া। শুধু হয়রানি করার জন্যই ৩৬টি মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। তিনি ঠিকমত চলতে পারেন না, ঠিকমত খেতে পারেন না। তিনি অত্যন্ত অসুস্থ অবস্থায় আছেন। তাকে অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
বিএনপি আগের চেয়ে শক্তিশালী :
গুম, খুন বা পুলিশের আওতায় নির্যাতন করা হলেও বিএনপি নেতাকর্মীরা ভিত নন দাবি করে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, হামলা-মামলায় তারা খাঁটি সোনায় পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, ভোট চুরি করে জনগণকে বাইরে রেখে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্যই আওয়ামী লীগ মিথ্যা মামলা দিয়ে বেগম জিয়াকে দেড় বছরের অধিক সময় ধরে কারাবন্দি করে রেখেছে। এরমধ্য দিয়ে তারা (আওয়ামী লীগ) মনে করেছে, বিএনপি দমে যাবে। অথচ বিএনপি আগের চেয়েও বেশি শক্তিশালী। পূর্ণ উদ্যমে আন্দোলন সংগ্রামের দিকে যাচ্ছে।
আমীর খসরু বলেন, যে দেশে অবৈধ সরকার থাকে সে দেশের অন্য অঙ্গগুলো সঠিকভাবে, সাংবিধানিকভাবে কাজ করতে পারে? আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারে? পারে না। এ কারণেই বেগম খালেদা জিয়া জেলে আছেন দাবি করে তিনি বলেন, তারা বিচার করছে না, তারা আইনের শাসনের প্রয়োগ করছে না, সংবিধান ও আইন লঙ্ঘন করছে।
সরকার অন্যায়ভাবে জনগণকে বাইরে রেখে ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার চেষ্টা করলেও বাংলাশের মানুষ তা করতে দেবে না। আমীর খসরু বলেন, অতীতে সব অন্যায়ে মানুষ প্রতিবাদ করেছে। স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আগামীতে গণতন্ত্রের মুক্তির সংগ্রামেও বাংলাদেশের মানুষ জয়ী হবে। এদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাদের কাছ থেকে হাইজ্যাক করে কেড়ে নেয়া মালিকানা ফিরিয়ে আনবে।
আমীর খসরু বলেন, আওয়ামী লীগ চুরি করবে জেনেও বিএনপি নির্বাচনে গেছে। যাতে বিশ্ব এবং বাংলাদেশের মানুষ বুঝতে পারে, জনগণের মালিকানা কেড়ে নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা সংসদে গিয়েছি। আমাদের নেতাকর্মীরা সেটার বিরোধী ছিলেন। আমি নিজেও বিরুদ্ধে ছিলাম অবৈধ সরকারের অবৈধ সংসদে না যাওয়ার। তারপরও যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে, বিএনপি রাজনৈতিক দল বলে। আমরা প্রত্যেকটি জায়গায় ফেস করছি, যাতে কেউ বলতে না পারে বিএনপি গণতান্ত্রিক কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। এসময় তিনি বিএনপি’র চেয়ারপার্সনের মুক্তির সংগ্রামে সবাকে ঝাঁপিড়ে পড়ার আহবান জানান।
স্থায়ী কমিটির সদস্যদের বক্তব্য :
ড. খন্দকার মোশাররফ বলেন, অন্যায়ভাবে বেগম জিয়াকে জেলে রেখে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। বেগম জিয়া মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন করেছিলেন বলেই তাকে কারাবন্দী করে রাখা হয়েছে। ক্ষমতাসীন সরকারকে ‘অস্বাভাবিক সরকার’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অস্বাভাবিক সরকার সবকিছুতেই অস্বাভাবিক আচরণ করছে। ঈদের চাঁদ নিয়েও করেছে। অনির্বাচিত বলে জনদুর্ভোগ ও দ্রব্রমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে তাদের চিন্তা নাই।
মওদুদ আহমেদ বলেন, এক বছর পাঁচ মাস হয়ে গেছে। নেত্রীর মুক্তি মিলছে না। আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্তি না হলে বিকল্প পথে যাব। তিনি বলেন, সরকার নীতি-নৈতিকতা ও মূল্যবোধকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তারা পুলিশকে সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ না করে বিএনপিকে ধ্বংস করার দায়িত্ব দিয়েছে। এসময় তিনি বলেন, সরকার কূটনৈতিকভাবে ব্যর্থ হওয়ায় রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো যাচ্ছে না। তিনি বলেন, ৩০ তারিখের ভোট ২৯ তারিখ কেটে নিলেন। এবং ঐ ভোট দিয়ে লেজকাটা মন্ত্রী হয়েছেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, একজন নাবালক মন্ত্রী আছেন যিনি নিজের মন্ত্রণালয়ে গিয়ে কথা বলেন না। তিনি প্রত্যেকদিন শহীদ জিয়া, বেগম জিয়া অথবা তারেক রহমানের সমালোচনা করেন। সেই মন্ত্রীকে বলতে চাই, আজকের এই জনসভায় শহীদ জিয়া, বেগম জিয়া ও তারেক রহমানও নাই। তারপরও জনসমুদ্র হয়েছে। আপনি এই জায়গায় এসে দাঁড়ান দেখি, কয়টা লোক আসে আপনার কথায়।
গয়েশ্বর চন্দ্র্র রায় বলেন, শেখ হাসিনার কাছে কেন আমাদের নেত্রীর মুক্তি চাইবো। যে মশা মারতে পারে না তার কাছে কেন চাইবো। তার চেয়ে শেখ হাসিনার পতন নিশ্চিত করতে পারলে বেগম জিয়া ও গণতন্ত্রের মুক্তি নিশ্চিত হবে। তিনি বলেন, চোর-ডাকাত জামিন পান। অথচ মিথ্যা মামলায় আটক বেগম জিয়াকে জামিন দেয় না। আইনের মাধ্যমে বেগম জিয়াকে মুক্ত করা যাবে না। জনগণকে সাথে নিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্ত করা হবে। একদিন সকল কিছুর বিচার হবে। যারা বেগম জিয়ার মুক্তিতে বাধা হয়ে দাঁড়াবে তাদের রুখে দেয়া হবে।
অন্যরা যা বললেন :
বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমন বলেন, রাজনৈতিক কারণেই বেগম জিয়াকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। তারেক রহমানের মামলাও রাজনৈতিক। তিনি বলেন, আওয়ামী সরকার ফ্যাসিজম কায়েম করে ক্ষমতায় থাকতে চায়। এই ফ্যাসিজম রুখতে হবে। বেগম জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। তারেক রহমানকে দেশে বীরের বেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।
বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, জাতীয় দুর্যোগের সময় সরকার প্রধান বিদেশ থাকলেও দেশে ছুটে এসে মানুষের পাশে এসে দাঁড়ান। আর বর্তমানে ছয় কোটি মানুষ বন্যায় কষ্ট পাচ্ছে তবুও শেখ হাসিনা লন্ডনে গেছেন।
মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, জনগণ চায় যে কোন আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে বেগম জিয়াকে মুক্ত করতে হবে।
মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেন, আজকের জনসমুদ্র প্রমাণ করেছে বেগম জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে লক্ষ লক্ষ মামলা হয়েছে তবু আজ জনসভা সফল। চট্টগ্রাম থেকে আন্দোলন শুরু। আইনের মাধ্যমে বেগম জিয়াকে মুক্ত করা যাবে না। আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্ত করা হবে।
আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, বেগম জিয়ার মুক্তি মানেই অনির্বাচিত সরকার, জনগণের সম্পদ লুণ্ঠনকারী থেকে দেশকে মুক্ত করা।
গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, দু:শাসন থেকে সকলকে মুক্তি পেতে হবে। নেত্রীর মুক্তির জন্য কেন্দ্রীয় কর্মসূচি চাই। ঘরে বসে থাকার আর সময় নাই।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, বেগম জিয়ার অপরাধ প্রমাণিত হয় নি, তবু জামিন দিচ্ছে না। কারণ, সরকার অ্যাটর্নী জেনারেল দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট এবং আইন মন্ত্রনালয় দিয়ে নিম্ন আদালত নিয়ন্ত্রণ করছে।
কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে নেত্রীকে মুক্ত করা হবে।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদীন বলেন, বিনাভোটের সরকার প্রধান দেশের মানুষকে বানে ভাসিয়ে রেখে লন্ডনে চলে গেছেন। বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ভিপি জয়নাল বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্ত করা হবে আমাদের নেত্রীকে।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার বলেন, অনির্বাচিত সরকার বলেই জনগণের দাবি শুনতে পাচ্ছে না। আন্দোলনের মাধ্যমে নেত্রীকে মুক্ত করা হবে।
নগর বিএনপি’র সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, কারাগারে থাকলেও আর্ন্তজাতিক অঙ্গনে জনপ্রিয় হয়েছেন বেগম জিয়া। কারণ তিনি গনতন্ত্রের জন্য আপোষ করছেন না। তিনি বলেন, জলাবদ্ধতার ছয় হাজার কোটি টাকা, বেড়িবাঁধের আড়াই হাজার কোটি টাকা যারা নয় ছয় করেছে তাদের চট্টগ্রামবাসী ক্ষমা করবে না।
আবুল হাশেম বক্কর বলেন, সব বাধা পেরিয়ে আজকের জনসভা সফল।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় মৎস্য সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ লুৎফর রহমান কাজল, শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন, মহিলা সম্পাদক নুরী আরা সাফা, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল উদ্দীন মজুমদার ও হারুনুর রশীদ, সহ দপ্তর সম্পাদক বেলাল আহমেদ, সহ ধর্ম সম্পাদক এড. দীপেন দেওয়ান, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, মহানগর বিএনপির সি. সহ সভাপতি আবু সুফিয়ান, কেন্দ্রীয় সদস্য ব্যারিস্টার মীর হেলাল, মশিয়ুর রহমান বিপ্লব, মজিবুর রহমান, আবদুল ওয়াদুদ ভূইয়া, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি শফিউল বারী, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, যুবদলের সিঃ সহ সভাপতি মোরতাজুল করিম, কঙবাজার জেলার সভাপতি শাহজান চৌধুরী, রাঙ্গামাটির সভাপতি শাহ আলম, বান্দরবানের সভাপতি সাচিং প্রু জেরী, কেন্দ্রীয় তাতী দলের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, ইয়াসিন আলী, বিএনপি নেতা এম এ আজিজ, এড. আবদুস চাত্তার, দীপন তালুকদার দিপু, এস কে খোদা তোতন, শেখ মহিউদ্দীন, ইদ্রিস মিয়া চেয়ারম্যান, বিএনপি নেতা নাজিম উদ্দীন, নাজিমুর রহমান, রফিকুল আলম মজনু, শহিদুল ইসলাম ফরহাদ, কর্নেল আজিম উল্লাহ বাহার, মো. জাবেদ রেজা, আলী আব্বাস, নুরুল আমিন, ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, জসিম উদ্দীন সিকদার, কাজী বেলাল উদ্দীন, শাহ আলম, আবদুল মান্নান, আহমেদুল আলম রাসেল, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, এড, আবু তাহের, মাহবুবুল আলম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, মহানগর মহিলা দলের সভাপতি কাউন্সিলার মনোয়ারা বেগম মনি, সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, দক্ষিন জেলা যুবদল সভাপতি মো. শাহজান, উত্তর জেলা যুবদল সভাপতি হাসান জসিম, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, নগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন ও সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম মামুন মিয়া, মোবারক হোসেন কাঞ্চন চেয়ারম্যান প্রমুখ।

মতামত