,

গরমে অতিষ্ঠ মানুষের ‘ফণী’র প্রতীক্ষা!

নাগরিক নিউজ: দুই সপ্তাহের অধিক তীব্র তাপদাহে সারাদেশে জনজীবনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। গরমে অতিষ্ট মানুষের কাছে বহুল আকাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা নেই। আকাশে মেঘের ঘনঘটার দিকে চেয়ে আছে নগর ও গ্রামবাসী।
এদিকে কয়েকদিন ধরে ঘূর্ণিঝড় ফণীর পূর্বাভাস জানিয়ে আসছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গরমে অতিষ্ট মানুষ এখন তাপদাহ থেকে মুক্তি পেতে ফণীর প্রভাবের দিকে তাকিয়ে আছে জানালেন আন্দরকিল্লার কয়েকজন পথচারী।
এ প্রসঙ্গে নগর ও নাগরিক সভাপতি লায়ন এম আইয়ুব বলেন- ‘ফণীর প্রভাবটা কোন ক্ষতির কারণ না হয়ে কেবল ঝড়-বৃষ্টির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকুক। দেশবাসী যেন তীব্র গরম থেকে স্বস্তি পান এটাই কামনা।

জানা গেছে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ আরও সামান্য উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।

ঘূর্ণিঝড়টি বুধবার (০১ মে) দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ১২৩৫ কি. মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ১১৯০ কি. মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১০৯৫ কি. মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১১০০ কি. মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তর/উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কি. মি. এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কি. মি.। যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কি. মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৪ (চার) নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

মতামত