,

বইমেলায় ফাহমিদা বারীর দ্বিতীয় উপন্যাস ‘ছায়াপথ’

সালসাবিলা নকি: “ফাহমিদা বারী” বর্তমান সময়ের প্রতিশ্রুতিশীল একজন লেখিকা। অমর একুশে বইমেলা ২০১৯ এ পাওয়া যাচ্ছে তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস “ছায়াপথ”। সামাজিক ও মনস্তাত্বিক ঘরানার এ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মুহিত। যার অনন্য ব্যক্তিত্বে মোহিত হয় সহজ সরল রূপবতী মেয়ে শাঁওলী। উপন্যাসের পরতে পরতে পাঠক নিজেকে হারাবেন গ্রাম্য প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য্যে। গ্রাম্য জীবনযাত্রার জমাট লেখনীতে লেখিকার দক্ষতা স্বীকার করতে বাধ্য হবে পাঠক।

যৌথ পরিবারের সুখ-দুঃখ, পারস্পরিক আন্তরিকতা, সাংসারিক কোন্দল সবই ছন্দময় গতিতে এগোতে থাকে। কিন্তু এক সময় জীবন নিজস্ব ছন্দ হারায়, পথভ্রস্ট হয়, ভাঙন ধরে বহুদিনের ঐক্যবদ্ধতায়। সবকিছুর কেন্দ্রে থাকা ছায়াপথটি একদিন বিলীন হয়ে যায়, সাথে সাথে থেমে যায় একই সূত্রে গাঁথা সকল পদক্ষেপ। নির্ভেজাল, সহজ, স্বাভাবিক জীবনযাপনও কখনও কখনও রহস্যের জালে আটকে যায়। সে রহস্য চাপা পড়ে অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া ছায়াপথের সাথে।

ফাহমিদা বারী মূলত জীবনধর্মী লিখতে ভালোবাসেন। ২০১৮ সালের বইমেলাতে দেশজ প্রকাশনী কর্তৃক আয়োজিত পান্ডুলিপি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছিল তাঁর “নির্লজ্জ” উপন্যাসটি। একই সময়ে প্রকাশিত হয়েছিল তার গল্পগ্রন্থ “পরিধিবিহীন বৃত্ত।”

লেখিকা বাংলাদেশ গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী। সংসার জীবন ও কর্মজীবন দুইয়ের মাঝে প্রচণ্ড ব্যস্ত সময় কাটান লেখিকা। এত ব্যস্ততার মাঝেও কীভাবে লেখালেখি করেন এ প্রশ্নের জবাবে লেখিকা বলেন,

-ব্যস্ততার মাঝেও লেখালেখির জন্য সময় বের হচ্ছে, কারণ লেখালেখিতে ভালোলাগাটা প্রাধান্য পায়। আর ভালোলাগার কাজের জন্য সময় বের হয়েই যায়। তবে আরেকটু বেশি সময় দিতে পারলে ভালো হতো।
লেখালেখি নিয়ে ভবিষ্যত পরিকল্পনা কী?
-ভালো কিছু লেখার সাথে নিজের নাম যুক্ত করে যেতে চাই। সংখ্যায় কম হোক, মানের দিক থেকে যেন প্রথম সারির হয়।
সময়ের অভাবকে লেখালেখির জন্য সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা মনে করেন গুণী এই লেখিকা। তাঁর উপন্যাস ছায়াপথ পাওয়া যাচ্ছে বইমেলার ৩৩৫-৩৩৬ নম্বর স্টলে। প্রকাশ করেছেন চৈতন্য প্রকাশনী। নান্দনিক প্রচ্ছদটি করেছেন তৌহিদ হাসান। মলাট মূল্য ৩৫০ (তিনশত পঞ্চাশ টাকা) মাত্র, কমিশন এ ২৬০টাকা মাত্র।

মতামত