,

বিশ্ব ইজতেমা হবে প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে

নাগরিক ডেস্ক: প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে বিশ্ব ইজতেমার যাবতীয় কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

তিনি বলেছেন, ইজতেমা আয়োজনের কাজ চলছে। তবে ইজতেমার বাকি কাজ কীভাবে হবে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলছে। সব ধরনের কাজই প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে চলছে।

রোববার (০৩ জানুয়ারি) সচিবালয়ে তাবলীগ জামাতের আসন্ন ইজতেমা বিষয়ে দুইপক্ষের নেতাদের নিয়ে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বৈঠকে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের (গাসিক) মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মো. আছাদুজ্জামান মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

তাবলীগের দুইপক্ষের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল বলেন, তাদের মধ্যে একটু মতবিরোধ ছিল। তারা ঐক্যমত হয়ে আমাদের কাছে এসেছিলেন। পরে তাদের মতামত নিয়ে ইজতেমার সিদ্ধান্ত হয় আগামী ১৫, ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। এখন পর্যন্ত তা ঠিক আছে।

‘দুইপক্ষের মধ্য থেকে দুইজন করে নিয়ে মোট চারজন করে প্রতিনিধি নিয়ে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী আজ আবারো বসবেন। তারা বসে ইজতেমার সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো কিভাবে পরিচালিত হবে তা নির্ধারণ করবেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেখুন, সারা বিশ্বেই তাবলীগ জামাতের মধ্যে মতবিরোধ শুরু হয়েছে, আমাদের দেশও বাদ যায়নি। আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে তাবলীগ জামাত আগের মতই একসঙ্গে থাকবে এবং এবারের ইজতেমাও একইদিনেই হবে। আমরা সেই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

তিনি জানান, ইজতেমা মাঠ পরিষ্কার থেকে শুরু বিদ্যুৎ, পানিসহ যাবতীয় ইউটিলিটিজসহ সার্বিক বিষয়াবলী গাজীপুর সিটি করপোরেশন, স্থানীয় সংসদ সদস্য, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে থাকবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, আলোচনা চলছে, সমস্যার সমাধান হবে। কে বয়ান করবেন, কে মোনজাত করবেন এবং কে পরিচালনা করবেন-এসব বিষয় নিয়ে ঝামেলা আছে। আর তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আলোচনা চলছে।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা যে যাই বলি প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা সবার কথা শুনেছি এবং ঐক্যমতে পৌঁছেছি। দুই বিবাদমান পক্ষ মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে ইজতেমায় অংশ নেবে। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে ইজতেমায় যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সে ব্যবস্থা করা।

মাওলানা সা’দ এবার আসবেন কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা নিয়ে আজ কোনো আলোচনা হয়নি।’

এম.এ/১৩৩

মতামত