,

তারেককে ফেরাতে কাজ চলছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নাগরিক ডেস্ক: যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত দণ্ডিত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আইন মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। এছাড়া বিদেশে থাকা সব পলাতক ও দ-িত আসামিকে ফিরিয়ে আনতেও কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেইকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

দ্বিতীয় দফা আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই এক সংবাদ সম্মেলনে আনিসুল হক জানান, বিদেশে পলাতক তারেক রহমানকে সরকার দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে এবং এ বিষয়ে অগ্রসর হচ্ছে।

তারেক রহমান ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে যান। কথা ছিল চিকিৎসা শেষে ফিরে আসবেন তিনি। কিন্তু কথা রাখেননি। আবার ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে তারেক রহমান, তার স্ত্রী জোবাইদা রহমান এবং মেয়ে জাইমা রহমানের পাসপোর্টেও মেয়াদ শেষ হলেও তারা নবায়নের আবেদন করেননি। আর ২০০৪ সালের ২ জুলাই তারা পাসপোর্ট জমা দেন যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে।

এর মধ্যে দুর্নীতির দুই মামলায় তারেক রহমানের মোট ১৭ বছরের কারাদ- এবং ২২ কোটি ১০ লাখ টাকারও বেশি জরিমানা হয়েছে। আর ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় আজীবন কারাদ- হয়েছে তারেক রহমানের।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর এ কে আব্দুল মোমেন আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো বিদেশ সফরে যাচ্ছেন। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত দিয়েই শুরু হচ্ছে তার প্রথম বিদেশ সফর। এ সফরে বিশেষ কোনো এজেন্ডা আছে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘ভারতে আমার সফর হবে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও সম্প্রীতির। সেখানে আলোচনার বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এখানে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। দায়িত্ব গ্রহণের পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ আমাকে প্রথম অভিনন্দন জানিয়েছেন।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমার সঙ্গে সেখানে আমাদের একটি কমিটিও যাচ্ছে। তারা হয়ত বলতে পারবেন সুনির্দিষ্টভাবে কোন বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। আমার এখনো এ নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানা নেই।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জার্মানি সফরের বিষয়ে জানতে চাইলে মোমেন বলেন, ‘সফরের বিষয়ে আলোচনা চলছে। সেখানে গেলে দেশটির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেলের সঙ্গে সাইড লাইনে বৈঠক হতে পারে।’

এ সময় যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনার বিষয় জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে কথা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার জন্য যুক্তরাজ্যের ভূমিকা যথেষ্ট ইতিবাচক। তারাও চায় রোহিঙ্গারা নিরাপদে ও স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে যাক।’

নাগরিকনিউজ/ঢাকা/৩০ জানুয়ারি ২০১৯/এম.এ

মতামত