তিনজনের কে হচ্ছেন প্রধান বিচারপতি?

তিনজনের কে হচ্ছেন প্রধান বিচারপতি?

নিউজ ডেস্ক: সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার পদত্যাগের পর কে নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন, তা নিয়ে সব মহলেই চলছে আলোচনা। দেশের সচেতন মহলের দৃষ্টি এখন বঙ্গভবন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং সুপ্রিম কোর্টের দিকে। গুঞ্জন রয়েছে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে কিংবা ফেব্রুয়ারির প্রথমে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেয়া হতে পারে। আলোচনায় তিনজনের নাম ঘুরেফিরে আসছে। প্রধান বিচারপতি হিসেবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞাকেই, নাকি আপিল বিভাগের অন্য কোনো বিচারপতিকে ওই পদে বসানো হবে- তা জানতে সবাই উদগ্রীব। আগামী ৩১ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতি সিনহার মেয়াদ শেষ হবে। কোনো প্রধান বিচারপতির চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার কয়েকদিন আগেই পরবর্তী প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে থাকে। আইন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পদ শূন্য ঘোষণা করে চলতি সপ্তাহে বা আগামী মাসে নতুন প্রধান বিচারপতি নিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগের জন্য জ্যেষ্ঠতা অনুসারে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা এবং আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নাম শোনা যাচ্ছে। তবে ঝোঁক বেশি দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ বিচারপতির দিকে। প্রধান বিচারপতি নিয়োগ বিশ্লেষণে দেয়া যায়, আপিল বিভাগের সিনিয়র বিচারপতিকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করার প্রথা যেমন রয়েছে তেমনি তাকে ডিঙিয়ে অপেক্ষাকৃত কনিষ্ঠ বিচারপতিকেও নিয়োগ দেয়ার নজির রয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট আপিল বিভাগের যে কোনো বিচারপতিকেই প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগ দিতে পারেন। এ কারণে পুরো বিষয়টি এখন প্রেসিডেন্টের ওপর নির্ভর করছে। এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, খুব শিগগিরই প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেয়া হবে। সেই সঙ্গে হাইকোর্ট বিভাগেও কিছু বিচারপতি নিয়োগ দেয়া হবে। কত দিনের মধ্যে বিচারপতি নিয়োগ দেয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচারপতি নিয়োগের প্রক্রিয়া চলবে চলতি জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারির প্রথম পর্যন্ত। কে হতে পারেন দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও সুপ্রিম কোর্টের...
ধুলোয় ধূসর চাটগাঁ শহর: স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে নগরবাসীর

ধুলোয় ধূসর চাটগাঁ শহর: স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে নগরবাসীর

আরকানুল ইসলাম: ধুলোর শহর চট্টগ্রাম। চট্টগ্রাম শহরে এতই ধুলাবালি বেড়েছে যে দিনের ১ টা বাজলেও রাস্তায় বের হলে মনে হয় কুয়াশায় ডাকা পুরা শহর! বসবাস অযোগ্য শহরে পরিণত হয়ে গেছে এই শহর, এমন কোনো রাস্তা নেই যে রাস্তা দিয়ে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারছে। আগ্রাবাদ এক্সেস রোডে চলাচলের জো নেই। একে তো খানাখন্দে ভরপুর, তারওপর ধুলোবালিতে ছেয়ে থাকে রাত-দিন। মুখে মাস্ক পরেও কাজ হচ্ছে না। দিন দিন স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে। স্কুলগামী শিশুদের শ্বাসজনিত রোগের সমস্যা প্রকট হচ্ছে। একই ভাবে পিসির রোডেরও একই অবস্থা। দুই নম্বর গেট থেকে শেরশাহগামী রোডের অবস্থাও করুণ। দীর্ঘ জ্যাম লেগে থাকে ফ্লাইওভারের লিঙ্ক দেওয়ার কাজের কারণে। জ্যামের মধ্যেই ধুলোবালিতে পথচারীদের তথৈবচ অবস্থা! মুরাদপুর থেকে অক্সিজেনগামী রাস্তাটাও খানাখন্দে ভরা, গাড়িগুলো নৌকার মতো দোল খেয়ে নাড়িভূড়ি একাকার করে দেয়। তারওপর ধুলোবালির অত্যাচার তো আছেই। বহদ্দারহাট থেকে পুরাতন চাঁদগাঁও থানার দিকে যেতেই ধুলোর মুখে পড়তে হয়। ফ্লাইওভারের লিঙ্ক বের করার কাজ শেষ হয়েছে, শেষ হচ্ছে ধুলোবালির অত্যাচার। এই ধুলোর নির্যাতন থেকে কবে রেহাই পাবে নগরবাসী? আদৌ কি কাজ শুরু হবে রাস্তা সংস্কারের? উন্নয়ন যেমন দরকার, তেমনি উন্নয়নের নামে জনদুর্ভোগও মাথায় রাখা দরকার। প্রাণের শহর চট্টগ্রামকে দেখার জন্য কি কেউ নেই? ধুলোর চাদরে ডাকা এই শহর। এর দায়ভার চট্টগ্রাম ওয়াসা নেবে? নাকি বিটিসিল নেবে? নাকি কেজিডিসিএল নেবে? একটা বিহিত চায়...
সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ালে মায়ের ডায়াবেটিস ঝুঁকি কমে”: ডা. মো. আজিজুল হাকিম

সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ালে মায়ের ডায়াবেটিস ঝুঁকি কমে”: ডা. মো. আজিজুল হাকিম

“শিশুকে বুকের দুধ পান করালে মায়ের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে” ডা. মো. আজিজুল হাকিম শিশুকে বুকের দুধ পান করালে মায়ের ডায়াবেটিসের (DM Type-2) ঝুঁকি কমে এমনটিই দাবি করেছেন একদল আমেরিকান গবেষক। গত ৩০ বছর ধরে নিরলস গবেষণার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হন তারা। ১২৩৮ জন নারী, যাদের গড়পড়তা বয়স ২৪, অন্তত একটি বাচ্চা প্রসব করেছে এবং যাদের পূর্বে কোন ডায়াবেটিস ছিল না, তাদের উপর গবেষণা চালানো হয়। JAMA Internal Medicine সম্প্রতি এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। গবেষকেরা এ প্রকল্প চলাকালীন ৭ বার দৈবাৎ বাছাইকৃত এসব নারীদের সাথে সাক্ষাৎ করে তাদের স্বাস্থ্যগত বিষয়ে আলাপ, শারীরিক পরীক্ষণ-পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় উপাত্ত সংগ্রহ করেন। ফলাফলে দেখা যায়- ডায়াবেটিসের বিভিন্ন ঝুঁকিগত নেয়ামক যেমন কায়িক শ্রম, ধূমপান ইত্যাদি যথাসম্ভব কমিয়ে আনার পরেও ১৮২ জনের ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। যেসব নারী অন্তত প্রথম ৬ মাস শিশুকে বুকের দুধ পান করায় তাদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ২৫% কমে যায়। যারা ৬-১২ মাস বুকের দুধ পান করিয়েছে তাদের ঝুঁকি কমে ৪৮ শতাংশ এবং ১২ মাসের অধিক বুকের দুধ খাওয়ানো নারীদের ক্ষেত্রে তা ৪৭% কমে। তবে স্থুলকায় নারী বা যাদের গর্ভকালিন ডায়াবেটিস (GDM) থাকে তাদের ক্ষেত্রে অবশ্য পরবর্তী জীবনে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেশি থাকে। দুগ্ধপান করানো নারীদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কেন কমে? তার একটি ব্যাখ্যা হতে পারে- দুধ পান করানোর কারনে তাদের রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কম থাকে। বিধায় দেহের অভ্যন্তরে তৈরি হওয়া ইনসুলিনের ব্যবহার কম হয়। অগ্নাশয়ের ইনসুলিন নিঃসরণ করা কোষের উপর চাপ কম পড়ে। সুতরাং এই ইনসুলিন সমেত কোষ পরবর্তীতে কার্যকরী ভূমিকা পালনের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়। গবেষক দলের প্রধান Dr. Erica P. Gunderson জানান, “মাতৃদুগ্ধ পানের সুফল হিসেবে আমরা কেবল শিশুর স্বাস্থ্যগত উপকারিতা সম্পর্কেই ওয়াকিফহাল। কিন্তু একজন নারীর জীবনে ও স্বাস্থ্যে এর ইতিবাচক প্রভাবও দিন দিন স্বীকৃতি পাবে আশা...
শেষ মুনাজাতে ইজতেমায় মানুষের ঢল

শেষ মুনাজাতে ইজতেমায় মানুষের ঢল

বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাত আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে শুরু হবে। এর মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা। রাজধানীর কাকরাইল মসজিদের ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ জোবায়ের আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন বলে জানিয়েছেন ইজতেমা ময়দানের মুরব্বী মো. গিয়াস উদ্দিন। ইবাদাত বন্দেগি, জিকির আর কোরআন হাদিসের আলোকে বয়ানের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় পর্বে অংশ নেওয়া তাবলিগ জামাতের সমবেত মুসল্লিরা দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত করেছেন। রোববার সকালে বাংলাদেশের মাওলানা আব্দুল মতিনের বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় তৃতীয় দিনের কার্যক্রম। ইজতেমাস্থলে তাবলিগ জামাতের সমবেত দেশি-বিদেশি মুসল্লিদের পাশাপাশি ঢাকা, গাজীপুর ও আশপাশের জেলার কয়েক লাখ মুসল্লি বরাবরের মতো এ আখেরি মোনাজাতে শরিক হবেন। গত দুই দিনের মতো আজ টঙ্গীর আবহাওয়া রয়েছে অনুকুলে। শীতের তীব্রতাও প্রথম পর্বের চেয়ে তুলনামূলক কম। ফলে দ্বিতীয় পর্বে মুসল্লিদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে বেশি লক্ষ্য করা...
ঘুরে আসুন কাট্টলী সমুদ্রসৈকত

ঘুরে আসুন কাট্টলী সমুদ্রসৈকত

চট্টগ্রাম নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড আকবরশাহ ও পাহাড়তলী থানাস্থ অবস্থিত উত্তর কাট্টলী সমুদ্র সৈকত।এই সমুদ্র সৈকতে প্রায় হাজারো লোকের সমাগম হয়।দিনে দিনে কাট্টলী সমুদ্র সৈকত পর্যটন এলাকায় পরিণত হচ্ছে।সমুদ্র সৈকতে বিভিন্ন স্থান থেকে পিকনিক,পহেলা বৈশাখ,র্থাটি ফাস্ট নাইট উদযাপন করতে আসে ভ্রমন পিপাসুরা। চট্টগ্রাম শহরের উত্তর কাট্টলী এলাকা সমুদ্র সৈকত ইতোমধ্যে বিনোদন প্রিয় মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। চট্রগ্রাম মহানগরীর আকবর শাহ ও পাহাড়তলী থানার উত্তর কাট্রলী কর্নেল হাট থেকে রিক্সা ও টমটম লোকাল টেক্সী যোগে এগোলেই পশ্চিমে রেল লাইন বেড়ীবাঁধ টোল রোড পার হলে পৌঁছে যাবেন কাট্রলী বীচ সমুদ্র সৈকতে। ঝাউগাছ আর গভীর জলরাশি সমন্বয়ে বিস্তীর্ন সমুদ্র সৈকতে দারুন বিকেল পার করা যায়। অন্যদিকে হালিশহর লিংক রোড হয়ে সাগরিকা ষ্টেডিয়াম রোড দিয়ে ও যেতে পারবেন কাট্রলী সৈকত ও খেজুর তলা বীচে। সাঙ্গু পর্যন্ত এখানে আপনি সুমুদ্রের বিশাল জলরাশি ঝাউবাগানের ঐক্যতান দেখবেন। এই ঈদে পরিবার সহ আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারেন।আর যারা ভোরে ও বিকেল জগিং বা হাঁটেন ঘন্টার উপরে তাদের জন্য খেজুর তলা বীচ কাট্রলী বীচ সাংগু বীচ পর্যন্ত বেড়ীবাধঁ উত্তম জায়গা হিসেবে ইতোমধ্যে খ্যাতি অর্জন করেছে। হাঁটতে হাঁটতে সাগরের জলরাশি আর অস্ত যাওয়া সূর্যের মেলবন্ধনে যে আবহ তৈরী হয় তা সত্যিই উপভোগ্য। ঘুরতে আসা মানুষজনের খাদ্যের চাহিদা মেটাতে এখানে রয়েছে ভালো মানের কয়েকটি রেস্টুরেন্ট। দামে আরে মানে এসব রেস্টুরেন্টের খাবার আপনি সহজেই গ্রহণ করতে পারেন।তো, আর দেরী নয়, এবারের ঈদে পরিজন নিয়ে ঘুরে আসুন উত্তর কাট্রলী বীচ সমুদ্র সৈকত...
শুভ জন্মদিন ছাত্রনেতা আরিফুজ্জামান আরিফ

শুভ জন্মদিন ছাত্রনেতা আরিফুজ্জামান আরিফ

শুভ জন্মদিন আরিফুজ্জামান। আজ দক্ষিণজেলা ছাত্রলীগের শীর্ষনেতা, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, বাঁশখালী উপজেলার নব-নির্বাচিত সেক্রেটারি আরিফুজ্জামান আরিফের জন্মদিন। জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা রইল। চট্টগ্রাম দক্ষিণজেলা ছাত্রলীগের পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ছাত্রলীগের এই ত্যাগী নেতার কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পেয়েছেন কিছুদিন আগে। দীর্ঘদিন পর হলেও ত্যাগের এই মূল্যায়ন প্রাপ্যের চেয়ে কম বলেও উল্লেখ করেছিলেন কেউ কেউ। দক্ষিণজেলা আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতা আবদুল্লাহ কবির লিটন ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত এ ছাত্রনেতার গ্রামের বাড়ি বাঁশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নের বাহারছড়া গ্রামে। তিনি সম্ভ্রান্ত মুসলিম ও আওয়ামী পরিবারের সন্তান। তাঁর পিতা আবুল কালাম মাস্টার প্রবীণ আওয়ামী রাজনীতিবিদ হিসেবে স্বনামে পরিচিত। তিনি বাণীগ্রাম সাধনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধাকালীন ইউনিয়ন ত্রাণকমিটির প্রধান, দীর্ঘ ২৭ বছর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি, মুক্তিযোদ্ধাকালীন থানা আওয়ামীলীগের সদস্য এবং পরবর্তীতে থানা আওয়ামীলীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। আরিফ বাণীগ্রাম স্কুল থেকে এসএসসি, ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি এবং চট্টগ্রাম কলেজ থেকে অনার্স – মাস্টার্স সম্পন্ন করে বর্তমানে চট্টগ্রাম আইন কলেজে অধ্যয়নরত...
শুভ জন্মদিন বাঁশখালীর কৃতি সন্তান ‘প্রফেসর জামাল উদ্দীন চৌধুরী’

শুভ জন্মদিন বাঁশখালীর কৃতি সন্তান ‘প্রফেসর জামাল উদ্দীন চৌধুরী’

শহীদ হাবিব: যুগে যুগে বাঁশখালীর মাটিতে জন্ম নিয়েছেন অনেক জ্ঞানী গুণী ও মনীষী। যারা ধন্য করেছেন বাঁশখালীর মাটিকে, যারা এই বাঁশখালীকে পরিচিত করেছেন বিশ্বের দরবারে, মাথা উঁচু করেছেন বাঁশখালীর। আজ বাঁশখালীর এমনই একজন কীর্তিমান পুরুষের জন্মদিন। যিনি আপন আলোয় সমুজ্জ্বল মানুষ গড়ার এক জীবন্ত কারিগর, যিনি দেশ থেকে দেশান্তরে নিরলসভাবে করে গেছেন জ্ঞানের চাষাবাদ। তিনি হলেন বাঁশখালীর পুইছড়ি ইউনিয়নের কৃতী সন্তান বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট প্রফেসর জামাল উদ্দীন চৌধুরী স্যার। আজ স্যারের ৬৫ তম জন্মবার্ষিকী। এই শুভক্ষণে স্যারের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা-ভালবাসা ও অজস্র শুভ কামনা। সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় প্রিয় জামাল স্যার ____________________­_____________ প্রফেসর জামাল উদ্দীন চৌধুরী। এক কথায় মানুষ গড়ার এক জীবন্ত কারিগর। তিনি একাধারে শিক্ষক, কলামিস্ট ও সমাজসেবক। জন্মগ্রহণ করেন ১৯৫২ সালের ১ অক্টোবর বাঁশখালীর পুইছড়ি ইউনিয়নের সম্ভ্রান্ত পুুইছড়ি জমিদার বাড়িতে। পিতা মাওলানা আবদুর রহমান চৌধুরী, মাতা ছেমন আরা বেগম চৌধুরাণী। তিনি ১৯৮৭ সালে চট্টগ্রামের রাউজানের মহিয়সী নারী ফাউজিয়া শেলী চৌধুরীর সাথে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। ব্যক্তিগত জীবনে জামাল উদ্দীন চৌধুরী দুই সন্তানের জনক। এরা হলেন- সেজাদ রহমান চৌধুরী অনিক এবং রাগিব রহমান চৌধুরী। বড় ছেলে সেজাদ রহমান চৌধুরী University College London থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন এবং ছোট ছেলে রাগিব রহমান চৌধুরী বিশ্ববিখ্যাত Oxford University তে স্নাতক পর্যায়ে অধ্যয়নরত আছেন। # শিক্ষাজীবনঃ এই মহান জ্ঞান তাপসের পাঠ্যজীবন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে বাঁশখালীর পশ্চিম পুইছড়ি গ্রামের ইজ্জতীয়া প্রাইমারী স্কুলে। তিনি বাঁশখালীর নাপোড়া শেখেরখীল উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৯৬৭ সালে এসএসসি পাশ করেন। তারপর ১৯৬৯ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ হতে এইচএসসি পাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হতে গণিত বিভাগে কৃতিত্বের সঙ্গে ১৯৭৫ সালে স্নাতক এবং ১৯৭৬ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। তারপর তিনি যুক্তরাজ্যের Greenwich University London হতে ১৯৮৭ সালে কৃতিত্বের সহিত PGCE সম্পন্ন করেন। # পেশাজীবনঃ অসম্ভব মেধা...
বাঁশখালী পৌরসভা ৯নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সম্মেলন সম্পন্ন

বাঁশখালী পৌরসভা ৯নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সম্মেলন সম্পন্ন

বাঁশখালী পৌরসভা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিয়াউল হাছান হোসাইনী ও সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি মুজাহিদের যৌথ সাক্ষরে আজিজুল হক বাদশাহকে সভাপতি, রিফাজ বিন শাহাদতকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, সাকের উল্লাহকে সাধারণ সম্পাদক আমানুল্লাহকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৮১জন বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদিত হয়। পৌরসভা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক রিফাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ৯নং ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতা বোরহানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পৌরসভা বিএনপি র সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদত হোসাইন আজগর, প্রধান বক্তা পৌর ছাত্রদল ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিয়াউল হাছান হোসাইনী, বিশেষ বক্তা ছাত্রদল সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাংগীর আলম, যুগ্ম সম্পাদক আমিনুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক নক্বী, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আশেকুল ইসলাম,৫নং ওয়ার্ড সভাপতি হুমায়ুন আহমেদ রণি,৩নং ওয়ার্ড সহ সভাপতি নুরুল আব্বাস,৮নং ওয়ার্ড সিনিয়র সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান, মোঃ জাবের। বক্তব্য রাখেন আজিজুল হক বাদশাহ,রিফাজ বিন শাহাদত,সাকের উল্লাহ,মোঃ রশিদ, আমানুল্লাহ, ফয়সাল, বোরহান প্রমুখ। ( প্রেস...
রামুতে বর্ণাঢ্য উৎসবে প্রতিমা বিসর্জন

রামুতে বর্ণাঢ্য উৎসবে প্রতিমা বিসর্জন

পাঁচদিনের উৎসবমুখরের মাধ্যমে পূজা শেষে কক্সবজারের রামু বাঁকখালী নদীতে সম্প্রীতির বন্ধনে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৩০ শে সেপ্টেম্বর) বাঁকখালীর চরে সকল ধর্মের মানুষের উপস্থিতিতে সম্প্রীতির এক সেতু বন্ধন তৈরি হয়। বিসর্জন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহজাহান আলি বলেন, যে কোন ধর্মীয় উৎসব সকলের মাঝে সম্প্রীতি বন্ধনের সৃষ্টি করে। এ বছরও আনন্দঘন পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব পালন হয়েছে। শারদীয় দুর্গোৎসব শুধু বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য নয়, এটি জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির চেতনায় জাতীয় ঐক্যের একটি মহামিলনোৎসব। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ, এখানে সকল ধর্মের মানুষের সহবস্থান রয়েছে। বিশ্বে এ এক অনন্য ইতিহাস। তিনি আরো বলেন, দীর্ঘকাল থেকে রামুতে উৎসব মূখর পরিবেশ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন করা হচ্ছে। দুর্গাপূজার সার্বজনীন আবেদনে মানুষে মানুষে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার যে চর্চা বিরাজমান, সে চর্চায় সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতির মেলবন্ধন তৈরী করে। মানুষ মানুষের জন্য সুসম্পর্কের বারতা নিয়ে আসে। এই শুভ গুণগুলোকে আমরা প্রতিনিয়ত চর্চা করলে, রামুর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কখনো নষ্ট হবে না। রামু বাঁকখালীর চরে প্রতিমা বিসর্জন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রতন মল্লিকের সভাপতিত্বে প্রতিমা বিসর্জন পরিষদের সহ-সভাপতি সুশান্ত পাল বাচ্চুর সঞ্চালনায় বিসর্জন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফতেখাঁরকুল চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, রামু থানার ওসি (তদন্ত) মিজানুর রহমান। এতে অন্যান্যদে মাঝে বক্তব্য ও উপস্থিত ছিলেন, বিসর্জন উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা ননী গোপাল দে, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক প্রকাশ সিকদার, কালি মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক চন্দন দাশ গুপ্ত, রামু উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নিলোৎপল বড়–য়া, সাংবাদিক খালেদ শহীদ, খালেদ হোসেন টাপু, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান আনছারুল হক ভূট্টো, হিন্দু নেতা ছোটন দে, রূপন ধর, অনাথ বিন্দু ধর, রামু সৎসঙ্গ আশ্রমের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ ভট্টাচার্য্য প্রমুখ। বিজর্সন মন্ত্র...